Buy this theme? Call now 01710441771
Welcome To Abc24.GA
.Feb 16, 2016

একটি পবিত্র সম্পর্ক

অফিসে যাব?
-নাহ,আমার কাছে বসে থাকো (নিহা)
-হ্যাঁ আজকে যাবনা,চলো দুই জনে ঘুরতে
যাবো।
-কি বললে তুমি!
-এত রাগ করো কেনো? তুমিতো সম্মতি
দিলে
-আর একটা কথাও নয়,তুমি তাড়তাড়ি
অফিসে যাও
-আচ্ছা যাচ্ছিতো,রাগ করোনা লক্ষী
কেমন?
-আজ অফিস যাবোনা,চলো দুজনে ঘুরতে
যাবো।
কি সখ!(বিরবির করে)
-এভাবে বিরবির করে কি বলছ,একটু
জোরে
বলোনা
-তোমার শুনতে হবেনা।এই নাও পোশাক
তাড়াতাড়ি
রেডি হয়ে অফিসে যাও
.
কি বউরে বাবা! এখনে যেরকম করে
কদিন পরে
যে কি হবে আল্লাহ মা'লুম।
.
-নিহা আজ ফিরতে একটু দেরি হবে
-কেনো?
-কাজ আছে একটু
-ও আচ্ছা ঠিক আছে,সাবধানে যেও
-হুম আচ্ছা
-এই শোনো শোনো
-কি হলো আবার,বলো
-ফেরার পথে আমার জন্য একটা নীল
শাড়ী নিয়ে
আসবে
-তোমাকে এমনিতেই অনেক সুন্দর
লাগে কিন্তু
নীল শাড়ি দিয়ে কি করবে?
-কাঁথা সেলাই করব
-হা হা হা আচ্ছা ঠিক আছে
-আল্লাহ হাফেজ
-ঠিক আছে মনে থাকে যেন আল্লাহ
হাফেজ।
.
বিয়ের পর থেকে আল্লাহ তায়ালার
অশেষ রহমতে
জীবনটা অনেক আনন্দেই কাটাচ্ছি
কারন আল্লাহ
আমাকে একজন স্ত্রী দিয়েছেন বাট
সবার
থেকে আলাদা।
.
বিয়ের পরে মেয়েরা যে তার
স্বামীকে এতটা
ভালবাসে সত্যি অবাক করে দেয়ার
মত।
.
সব মেয়েরাই এমন কিনা জানিনা তবে
নিহা সত্যি আমায়
খুব ভালবাসে,একজন স্ত্রীর নিকট
থেকে এর
চেয়ে বড় পাওয়া আর কি থাকতে
পারে?
.
এতদিনে বুঝতে পেরেছি,সংসার
সুখের হয় যদি
স্ত্রী ঠিক থাকে।
আর এটা আমি বুঝেছি নিহাকে
পেয়ে।
.
ফেরার পথে পাগলীটার জন্য একটা
নীল শাড়ি
নিলাম।
রাত প্রায় নয়টা বেজে গেছে,এখনো
একটা কাজ
বাকিই আছে।
.
কাজটা সেড়ে বাসার উদ্দেশ্যে দ্রুত
রওয়ানা দিলাম,না
জানি আজকেও আবার অন্ধকারে
বাহিরে থাকতে হয়
কে জানে?
কান ধরে ঘরে ঢোকার শাস্তিটাতো
আছেই
.
বাড়িতে প্রবেশ করেই দেখি প্রায়
১০টা বাজার উপক্রম।
উফ! বেঁচে গেলাম
.
শাড়িটা বারান্দায় রেখে নিহাকে
ডাক দিলাম
-নিহা
-(নিশ্চুপ)
-নিহা,কথা বলছনা কেনো?
-(নিশ্চুপ)
.
নিহা তো এত তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে
যাওয়ার কথানা কিন্তু কথা
বলছেনা কেনো?
.
দরজাটা হাতের মৃদু ধাক্কায় খুলে
গেলো,ভিতরে
গিয়ে দেখি ওখানেও নেই তাহলে
গেলো কই?
.
পিছন থেকে আমার চোখের উপড় নরম
হাতের
স্পর্শ অনুভব করলাম।তারমানে
পাগলীটাই...
.
-নিহা কি করছ,চোখে ছেড়ে দাও
-না,ছাড়ব না।আমার শাড়িটা আগে
দাও
-শাড়ি!
-হুম শাড়ি,কোথায় দাও আগে
-ওহ,সরি জানু আনতে ভূলেই গেছি
.
আর কোন কথা না বলে একটু দুরে গিয়ে
দাড়ায়
নিহা।চোখ দুটা ঝাপসা করে দিল
কিচ্ছু দেখতে
পাচ্ছিনা তেমন।
.
কাপড়গুলো চেঞ্জ করে নিহার দিকে
একটু ভাল
করে তাকালাম কিন্তু আমিত অবাক!
.
এত সুন্দর করে নিজেকে সাজিয়েছে
সত্যি অবাক
করে দেয়ার মত,কিন্তু রাগান্বিত
চেহারায় অরো
বেশ মায়াবী লাগছে।
.
শাড়িটা পরলে আরো সুন্দর লাগবে।
শাড়িটা হাতে
দিয়ে বললাম,এই নাও শাড়ি।
উহ! নরম হাতে খাইলাম দুইটা
.
-আরে এভাবে মারছ কেনো,ব্যথা
পাচ্ছিতো
-এতক্ষন এমন করলে কেনো?
-তোমাকে একটু রাগানোর জন্য
-কেনো?
-তোমার রাগান্বিত চেহারাটা
অনেক মায়াবী লাগে
তাই।
-থাক আর বলতে হবেনা।
.
ফ্রেস হয়ে খাইতে বসলাম,দুজনে
একসাথে
খেয়ে ঘুমাতে যাবো অমনি...
-নামাজ পড়েছ(নিহা)
-কিসের নামাজ?
-এশার নামাজ
_না একটু পরে পড়ে নেব
-কি!
-শরীরটা খারাপ লাগছেতো তাই
-কোন কৈফিয়াত চলবেনা,যাও আগে
নামাজ পড়বা
তারপর ঘুমাতে আসবে
.
ওযু করে এসে শুধু বিতর টা বাদ রেখে
নামাজটা
পড়ে তাহাজ্জুত পড়ার নিয়ত করে
ঘুমিয়ে পড়লাম।
.
(আমার ভবিষ্যত রানীকে নিয়ে
কল্পনার জগৎ
থেকে লেখা)
.
পবিত্র ভালবাসা এটাই,যেটা দুজন
স্বামী-স্ত্রীর
মাঝে বিদ্যমান।
বাকিগুলো নোংরামি ছাড়া আর
কিছুই
না।